কুমিল্লায় এসএসসি পরিক্ষার্থী ইখতেখার হাসান ইমন(১৮)কে হত্যায় চার আসামীকে গ্রেফতার করে র্যাব।
ঘটনার বিবরণে জানাগেছে, কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার পিপইয়াকান্দি গ্রামের মোঃ আলাউদ্দিনের ছেলে ইখতেখার হাসান ইমন সোমবার বিকালে মাহফিলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে।
ওইসময় ওঁৎপেতে থাকা ১৫ থেকে২০জন দুষ্কৃতকারীরা লোহার রড ও লাঠি সোঠা দিয়ে ইখতেখার হাসান ইমনকে
এলোপাথারী মারধর করে মাটিতে ফেলে রেখে যায়।
পরবর্তীতে সিএনজি যোগে স্থানীয় জনতা ভিকটিম ইখতেখার হাসান ইমন কে আশংকা জনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে আশংকাজনক দেখে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার করলে রাত নয়টার মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
পরবর্তীতে বুধবার কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় ভিকটিমের চাচা জামাল(৪০) বাদী হয়ে ১২জন এজাহারভূক্ত ও অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাকান্ডের বিষয়টি জানতে পেরে ও মামলার সূত্র ধরে র্যাব-১১ তাৎক্ষনিক ছায়া তদন্ত শুরু করে। মামলা লিপিবদ্ধ হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বুধবার কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন বিভিন্ন গ্রামে অভিযান পরিচালনা হত্যা মামলার এজাহার নামীয় প্রথম তিনজনসহ মোট চারজন আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলোঃ কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার মালাখালা গ্রামের মৃত আজগর আলীর ছেলে ও এক নাম্বার এজাহারভূক্ত আসামী মোঃ নাছির উদ্দিন@মুরগা নাছির(৪০), একই গ্রামের আঃ মান্নান এর ছেলে ও দুই নাম্বার এজাহারভূক্ত আসামী ইয়াছিন(২২) ও বশির এর ছেলে ও তিন নাম্বার এজাহারভূক্ত আসামী হৃদয়(২৩) এবং একই থানার নারিকেলতলা গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও পাঁচ নাম্বার এজাহারভূক্ত আসামী মাইনুদ্দিন(১৮)কে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-১১ এর উপ-পরিচালক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন পপুলার বিডিনিউজকে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। এজাহারভূক্ত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য র্যাব-১১, এর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন,বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর হত্যা এবং বিভিন্ন আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতারের মাধ্যমে র্যাব ইতোমধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।