এ বছর আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছি। অর্ধশতবর্ষ অতিক্রান্ত হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় প্রজন্ম তরুণরা কর্মব্যস্ত জীবন কাটাচ্ছে। তাই অন্যান্য দেশের মতো পঞ্চাশ বছর পর স্বাধীনতা কিংবা বিজয় দিবস সব প্রজন্মের জন্য নিছক ছুটির দিন, সময় কাটে বিশ্রামে কিংবা ভ্রমণে।
পাকিস্তান আমলের মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিপর্ব এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ বিস্মৃতির আড়ালে চলে যাচ্ছে। এটি অস্বাভাবিক নয়-অর্ধশতবর্ষে বিশ্ব ও বাংলাদেশ বদলে গেছে, মানুষ বর্তমানে বসবাস করে, ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় তাকে মগ্ন থাকতে হয়।
কয়েকটি উদাহরণের পুনরাবৃত্তি করা যায়। স্থায়ী মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর নির্মাণের জন্য দেশের ব্যাংকগুলোর বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আয়োজিত সভায় একজন বিশিষ্ট ব্যাংকার বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর গড়া তাদেরও দায়, কারণ দেশ স্বাধীন না হলে তিনি খুব বেশি হলে দিলকুশা শাখার ম্যানেজার হতেন, প্রবাসী রেমিট্যান্সের ঢল আমাদের বৈদেশিক মুদ্রাকে এ পরিমাণ স্ফীত করত না।
সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সাবেক মহাসচিব লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশীদ বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় একজন ক্যাপ্টেন ছিলাম, দেশ স্বাধীন হয়েছে বিধায় সর্বোচ্চ র্যাংকে পদায়ন হয়ে সেনাবাহিনীর প্রধান রূপে অবসর গ্রহণ করেছি।
সূত্র: যুগান্তর
E/N