কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বোনকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বখাটেদের হামলায় ভাইয়ের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই দিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ শনিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির নাম আলম মিয়া (২৩)। তিনি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি উপজেলার গোবরিয়া আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ভাটির জগতচর গ্রামের মুর্শিদ মিয়ার ছেলে।
এই ঘটনায় আজ সকালে আলমের ভগ্নিপতি সুজন মিয়া বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন উপজেলার লক্ষ্মীপুর পূর্বপাড়ার কামাল হোসেনের ছেলে রকি মিয়া (২১) ও একই গ্রামের আঙ্গুর মিয়ার ছেলে শাওন মিয়া (২০)। অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরও তিন থেকে চারজনকে। এখন পর্যন্ত তাঁদের কাউকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মামলার এজাহার ও নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ওয়াজ মাহফিল ছিল। আলম, তাঁর ছোট বোনসহ পরিবারের পাঁচ সদস্য ওয়াজ শুনতে যান। ওয়াজ শুনে সবাই বিকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। লক্ষ্মীপুর গ্রাম অতিক্রম করার সময় সড়কে রকি ও শাওনসহ বেশ কয়েকজন দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওই সময় রকি ও শাওন দুজনই আলমের ছোট বোনকে উদ্দেশ করে অশালীন মন্তব্য করেন। তখন আলম এর প্রতিবাদ জানান। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রকি পাশে পড়ে থাকা একটি বাঁশ নিয়ে আলমের মাথায় আঘাত করেন। আলম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। প্রথমে তাঁকে কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। রাতেই তাঁকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আজ ভোর পাঁচটার দিকে আলম মারা যান।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N