কুমিল্লার নানুয়া দিঘিতে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার অভিযোগে আটক ইকবাল হোসেনকে (৩৫) কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনা হয়েছে।
আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা ০৭ মিনিটে তাঁকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কুমিল্লা পুলিশ লাইনসে নিয়ে আসা হয়। কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তিই ইকবাল বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, কক্সবাজারে আটক হওয়া ব্যক্তি ইকবাল হোসেনই। তাঁকে কোরআন অবমাননার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এখন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, কী কারণে তিনি পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখলেন সেটি জানা যাবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর সকালে কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘির পাড়ে অস্থায়ী পূজামণ্ডপ থেকে পবিত্র কোরআন উদ্ধার করা হয়। এরপর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। কুমিল্লার ঘটনায় পাঁচটি মামলা হয়েছে। পূজামণ্ডপের আশপাশের বিভিন্ন বাসা-প্রতিষ্ঠান ও শহরের কয়েকটি এলাকার ক্লোজড সার্কিট টিভি (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজে দেখে পুলিশ নিশ্চিত করেছে ইকবাল হোসেনই পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর সকালে কুমিল্লা নগরের নানুয়া দিঘির পাড়ে অস্থায়ী পূজামণ্ডপ থেকে পবিত্র কোরআন উদ্ধার করা হয়। এরপর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। কুমিল্লার ঘটনায় পাঁচটি মামলা হয়েছে। পূজামণ্ডপের আশপাশের বিভিন্ন বাসা-প্রতিষ্ঠান ও শহরের কয়েকটি এলাকার ক্লোজড সার্কিট টিভি (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজে দেখে পুলিশ নিশ্চিত করেছে ইকবাল হোসেনই পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখেন।
সূত্র: প্রথম আলো
E/N