হাজীগঞ্জ বাজারে মিছিলে চারজন নিহত হয়েছে। তারা হলো রায়চোঁ গ্রামের আল আমিন (১৮), হোটেল শ্রমিক চাপাইনবাবগঞ্জের বাবলু (২৮) ও রান্ধুনীমুড়া গ্রামের ফজলুর ছেলে ইয়াছিন হোসেন হৃদয় (১৫), রান্ধুনীমুড়া গ্রামের আব্বাসের ছেলে শামীম (১৮)। এই ঘটনায় পুলিশসহ প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হাজীগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন প্রশাসন।
বুহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত ডিআইজি ইকবাল হোসেন, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, সার্কেল সোহেল মাহমুদ, ওসি হারুনুর রশীদ বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পপুলার বিডিনিউজকে হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশীদ সাতজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সোহেব আহমেদ চিশতী বলেন, হাসপাতালে চারজন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শামীম হোসেন মারা যান।
বুধবার সন্ধ্যায় হঠাৎ হাজীগঞ্জ বাজারে একটি প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হাজীগঞ্জ মধ্য বাজার মন্দিরের সামনে গিয়ে ভাংচুর ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে তারা রাবার বুলেট ছুড়েছে।
একই সঙ্গে বুধবার রাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ।