দেশের বাইরে দেশ বইতে মুহম্মদ জাফর ইকবাল লিখেছিলেন, অক্টোবর মাস আসলেই নাকি ক্যালটেকের কিছু অধ্যাপকের মেজাজ খারাপ হয়ে যেত। খিটখিটে এই ভাব সহসা কাটত না। এর কারণ আর কিছু না, নোবেল পুরস্কার।
বছর ঘুরে আবার এসেছে অক্টোবর। আজ (৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে তিনটার সময় চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। কে বা কারা পাবেন এবারের এ নোবেল পুরস্কার? অনুমান করা বড় কঠিন। আমরা কেউই তো জ্যোতিষী নই। কাজেই, অনুমানের ভিত্তি আগের বছরগুলোর তথ্য। কারা পাচ্ছেন, কেন পাচ্ছেন। সমস্যা হলো, কোন বছর যে নোবেল কমিটি কোন দিকে যাবে, সেটা আগে থেকে আন্দাজ করা শক্ত। গবেষণার দিক তো আর একটা না!
এই লেখাটি তাই যতটা না নোবেল অনুমান, তারচেয়ে বেশি বর্তমানে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যে বিষয়গুলো অনেক গুরুত্ব পাচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা।
উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পেতে পারেন ড. অ্যান্থনি ফাউচি, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব অ্যালার্জি এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক। গত ৫৪ বছর ধরে এইডস থেকে শুরু করে সার্স, মার্স, ইবোলা হয়ে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধেও লড়েছেন তিনি। যদিও এ ধরনের কাউকে নোবেল পুরষ্কার দেওয়ার নজির কম, তবু তাঁর নাম এ তালিকায় উল্লেখ না করলে তালিকাটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।