কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের নাংলা গ্রামের এক সংখ্যালঘু পরিবারকে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। নাংলা গ্রামের অধিবাসী জীবন চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে পার্শ্ববর্তী সহদেবপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলী আহম্মেদের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
থানায় অভিযোগ সূত্রে জীবন চন্দ্র সরকার জানান, সহদেবপুর গ্রামের অধিবাসী মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলী আহাম্মদের
সাখে জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্ব হইতে আমার মতবিরােধ চলিয়া আসিতেছি। গত ২ বছর ০৬ মাস পূর্বে আলী আহম্মেদ বিশেষ টাকার প্রয়ােজন হইলে তাহার ক্রয়কৃত সম্প্রীতি সাবেক ২১৩৭ দাগে ২ শতাংশ সাবেক ২১৩৮ দাগে ২.২/১ শতাংশ ভুমি মাত্র। মােট ৪.২/১ শতাংশ ভূমি বিক্রয় করার প্রস্থাব করিলে বর্তমান দর অনুযায়ী ৪.২/১ শতাংশ জায়গা জমির মূল্য ২,০০,০০০/- টাকার বিনিময়ে সাক্ষীগণের সম্মুখে আমি ক্রয় করিতে ইচ্ছুক হইয়া উপস্থিত সাক্ষীগনের ১,০০,০০০/- টাকা পরিশােধ করে দেই। উল্লেখ থাকে যে বাকী ১,০০,০০০/- টাকা বিবাদী আমাকে কয়েকদিনের মধ্যে রেজিষ্ট্রি করিয়া দিবে মর্মে উপস্থিত সাক্ষীগণের সম্মখ্যে অঙ্গীকার করিলে আমি তাহার সাথে এক মত হই মর্মে ২০০ টাকার স্ট্যাস্পের মধ্যে আলী আহম্মেদসহ উক্ত সাক্ষীগণ সই সাক্ষর করে। কিন্তু কয়েক দিন যাওয়ার পর বিবাদীর কাছ হইতে ক্রয়কৃত জায়গা আমাকে রেজিষ্ট্র করিয়ে দেওয়ার জন্য বলিলে বিবাদী দেব দিচ্ছি বলিয়া ‘তালবাহানয করিয়া আমসিতেছি মর্মে অধ্যবদি পর্যন্ত আমার উক্ত জমি রেজিস্ট্রি করে দেয় নাই। ঘটনার তারিখ ও সময়ে বিবাদীদের কাছে উক্ত জমিটি রেজিষ্ট্রি করে দেওয়ার জন্য বলিলে বিবাদী আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া মারমুখী আচরণ করিয়া কিসের রেজিট্ট্রি বলে জানায় এবং আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং বিবাদী প্রকাশ্যে বলিতে থাকে যে আমি যদি কখনও উক্ত জমিটি রেজিষ্ট্রি করিতে বলি তাহলে বিবারদী আমাকে খুন জখম করিবে মর্মে হমকি প্রদান করে।
বিবাদী আলী আহম্মেদ জানান, নাংলা গ্রামের সাবেক ২১৩৮ দাগে ২.২/১ শতাংশ ভুমি মাত্র। মােট ৪.২/১ শতাংশ জমি জীবন চন্দ্র সরকার কাকা মেলিটেরি কাছ থেকে ক্রয় করেছি। জমি বিক্রিয় করার জন্য জীবন চন্দ্র সরকারের কাছ থেকে আমি ১লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে ছিলাম, তবে আমার জমি এখন জীবন চন্দ্র সরকার দখলে আছে। আমি তাকে কোন হুমকি-ধমকি দেয়নি, তার ১ লক্ষ টাকা আমি পরিশোধ করে দিবো।
E/N