চাঁদপুরের কচুয়ার নাহারা গ্রামে সোমবার রাতে কালি মন্দিরের কালী দেবীর ৮টি প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) সুদীপ্ত রায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সুলতানা খানম, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপায়ন দাস শুভ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন ও জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তমাল ঘোষ সহ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
নাহারা সার্বজনীন কালি মন্দিরের সভাপতি গৌরাঙ্গ সূত্রধর বলেন, মঙ্গলবার ভোরে নিত্যদিনের মতো পূজা দিতে এসে প্রিয়লাল বালা প্রতিমা ভাংচুরের দৃশ্য দেখতে পায়। তবে কে বা কাহারা এ ঘটনা করেছে তা কেউ বলতে পারে না।

সংবাদে প্রকাশিত হয়, নাহারা গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব নিয়ে বৈষ্য ও ইসকন অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বিধা দন্ড রয়েছে,প্রকৃত পক্ষে দ্বিধা দন্ডের বিষয়েটি ইতিমধ্যে প্রসাশনিক ও স্থানীয় হিন্দু নেতাকর্মীদের মাধ্যমে এর সমাধান করা হয়েছে। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি দৈনিক সুদীপ্ত চাঁদপুর,পপুলার বিডিনিউজ পত্রিকার কচুয়া প্রতিনিধি আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।সেই সাথে এ অপরাধের যারা জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতা এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি জোর দাবি জানাচ্ছি।
এসপি মিলন মাহমুদ বলেন, এ ঘটনাটি খুবই জগন্যতম অপরাধ। এ অপরাধের সাথে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতা এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়েছেন।
ডিসি অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, ধারনা করা হচ্ছে হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য একটি মহল সুকৌশলে ঘটনাটি করেছে। ভবিষ্যতে যেন এধরনের ঘটনা না হতে পারে তাই সবাইকে সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে।
এব্যাপারে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তমাল ঘোষ জানান, যারা প্রতিমা ভাংচুর করেছে আমি সেই দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানাচ্ছি । প্রশাসনের নির্দেশে আসন্ন দুর্গা পূজা উদযাপনের নাহারা সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সনতোষ চন্দ্র সেনকে আহবায়ক ও মানিক মজুমদার সোহাগকে সদস্য সচিব করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূজা উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে পূজা মন্ডপে নিরাপত্তায় পুলিশের টিম সার্বক্ষণিক কাজ করে যাবে।
E/N