বুধবার সকালে প্রেমিকের বাড়ীতে হামলা করে ভাংচুর ও ভাইকে আহত করেছে হাজীগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ ও কাউন্সিলর আজাদ মজুমদার এবং তার ছেলে রাফী মজুমদার। তবে এমন কোন ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবী করেন কাউন্সিলর আজাদ মজুমদার।
সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কংগাইশ মজুমদার বাড়ীর দুলাল মজুমদারের বসতঘরের ভাংচুরের দৃশ্য। দুলাল মজুমদারের বড় ছেলে সবুজ মজুদারকে আহত আবস্থায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
ঘটনার বিবরণীতে জানা গেছে, কাউন্সিলর আজাদ মজুমদারের মেয়েকে ছয় মাস পূর্বে বিয়ে করে দুলাল মজুমদারের ছেলে শান্ত মজুমদার। পূর্ব বিরোধে দুলাল মজুমদারের বসতঘরে হামলা করে ভাংচুর, নগদ টাকা লুট ও মারধর করার অভিযোগ তুলে ধরেন শান্ত মজুমদারের মা মর্জিনা বেগম।
জানতে চাইলে শান্ত মজুমদারের বাবা দুলাল মজুমদার বলছেন, তার ছেলেকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। কাউন্সিলরের মেয়েকে তার কাছে তুলে দিয়েছি। তারপরও কেন তাদের উপর হামলা।
এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর আজাদ হোসেন মজুমদার বলছেন, তার মেয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা সবসময় গালমন্দ করতে থাকে। তবে, হামলার ঘটনায় কিছুই জানেন না তিনি।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ পপুলার বিডিনিজেকে জানান, হামলার খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কোন পক্ষের লিখিত অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।