এ ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান সাক্ষী মোক্তার আহম্মেদ জহিরকে ফাঁসানোর বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি অভিযোগ দেন। মহাপরিচালক চট্টগ্রামের বিভাগীয় কার্যালয়কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আসামিদের জবানবন্দি ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হুমায়ুন কবির আখন্দ তদন্ত করে ২৪ জুন বিভাগীয় কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর জহির মিজি বাড়ি থেকে বের হয়ে চান্দ্রা চৌরাস্তায় এলে তাঁকে ঘেরাও করে মারধর করেন আসামিরা। তাঁর কাছে থাকা ব্যাগে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন তাঁরা। এরপর পরিকল্পিতভাবে জহিরের কাছ থেকে ৪২০টি ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে দেখিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। পরে জহিরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় আদালতে মামলা হয়েছে, তা আমি শুনেছি। তবে ইতিমধ্যে যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। এ কারণে নতুন করে আরও একটি তদন্ত টিম গঠন করে দিয়েছি।’
সূত্র:প্রথম আলো
R/N