১৫ সেপ্টেম্বর রাতে চাঁদপুরে ব্যবসায়ী নারায়ণ খুন হন। পরদিন সকালে স্থানীয় বিপণিবাগ মার্কেট এলাকার পানির পাম্প স্টাফ রুমের কাছ থেকে তাঁর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার হয়। এদিনই তাঁর ছেলে রাজীব ঘোষ বাদী হয়ে রাজুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
হত্যার পর রাজু বাসা থেকে বস্তা আনেন। নারায়ণের লাশ বস্তায় ভরে টানতে টানতে পাশের একটি পানির পাম্পের স্টাফ রুমের পূর্ব পাশের গলির ভেতর নিয়ে রাখেন। গভীর রাতে সেলুন ধোয়ার দৃশ্য দেখেন নৈশপ্রহরী ইসমাইল। এত রাতে রাজু দোকানে কী করছেন, এ কথা জানতে চান ইসমাইল। তখন রাজু বলেন, পরদিন তাঁদের একটি ধর্মীয় উৎসব আছে। তাই পুরোনো কাপড়সহ ময়লা জিনিসপত্র বস্তায় ভরছেন।