ভাঙ্গা রাস্তা আর অবহেলিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে মানবিক স্ট্যাটাস দিলেন এক যুবক। যা সত্যি হৃদয়ে লাগে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে পপুলার বিডি নিউজ।
‘ঈশ্বর থাকেন ভদ্রপলীতে
এখানে তাহাকে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর!’
স্থান : ৯ নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের অন্তর্গত ৭নং ওয়ার্ড। লোকমানের ঘর থে’কে রজ্জ্বব আলী বেপারী বাড়ি পর্যন্ত।
যাতায়াত: মালীগাঁও থেকে ঠাকুর বাজার পর্যন্ত।
‘গন্ধর্ব্যপুর’ গ্রামের নামে দুটো ইউনিয়ন পরিচিতি লাভ করলে ও আসল ‘গন্বর্ব্যপুর’ গ্রামটি এখন ও সেই বেহাল দশায়! প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি থাকলে ও জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর তা যেন নিছক মিথ্যায় রুপ লাভ করে। চার – পাঁচ বাড়ির মানুষের যাতায়াত সমস্যা তো বটেই তার থেকে বড় সমস্যা শতাধিক ছাত্র ছাত্রীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসা- যাওয়া। গর্বভতী, মুমূর্ষু রোগীর কথা তো বাদ ই দিলাম।দুভার্গ্য হলে ও সত্য ভোগান্তী মানুষগুলো শুধু বছরের পর বছর প্রতিনিধিদের মিথ্যা আশ্বাসকে বিশ্বাস করে বুক বাঁধে। বারবার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভাগ্য বদলালেও বদলায় নি এ পাড়ের মানুষের ভোগান্তীটুকু। উন্নয়ন ঠিক যেন প্রতিনিধিদের নিজস্বায়ন হয়ে যাচ্ছে। যে পাড়ার প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে সে পাড়ারই উন্নয়ন হবে। তবে কি বাকীরা সব ভাসবে বানের জলে??

এমতাবস্থায়,
মাননীয় সংসদ সদস্য,হাজীগন্জ শাহরাস্তি,
শাহরাস্তি হাজীগন্জ, গণমানুষের নেতা,মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার মেজর ( অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরোত্তম স্যারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
“শেখ হাসিনার অঙ্গীকার
গ্রাম কে শহরে রুপান্তর”
মোঃ জাকির হোসেন (ফরিদ)
সাবেক সহ সভাপতি,৯ নং গন্ধর্ব্যপুর উঃ ইঃ ছাত্রলীগ।
সভাপতি ৭নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ।
E/N