নড়িয়ার ঈশ্বরকাঠি গ্রামের সায়েদুর রহমান বলেন, বাড়ির উঠানে, রাস্তায় পানি। ঘর থেকে বের হতে পারছেন না তাঁরা। এলাকার অনেকের ঘরে পানি উঠে গেছে। নলকূপ তলিয়ে যাওয়ায় খাওয়ার পানি পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষিজমি তলিয়ে যাওয়ায় ১০-১২ দিন ধরে বেকার হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষ । এদিকে নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর ৪৯টি প্রাথমিক ও ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছ। বিদ্যালয়ের মাঠ ও শ্রেণিকক্ষ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষকেরা। ১২ সেপ্টেম্বর এসব বিদ্যালয় খোলা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নড়িয়ার চেরাগ আলী ব্যাপারীকান্দি গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা বেগম বলেন, ৮-১০ দিন ধরে এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। দুদিন আগে তাঁর বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পানি প্রবেশ করে। বন্যার পানি না নামা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করা যাবে না।