চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৯নং কড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের বড় হয়াতপুর আলোচিত সেই মিশু হত্যার প্রধান আসামি নূরে আলম নুরের ছোট ভাই মোঃ রাসেল হোসেন,পিতা-মনির হোসেন,মাতা-নারগিছ বেগম,গরুচুরির ঘটনায় আনুমানিক সন্ধ্যা সারে ৮টায় সময় গরুচুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে তাকে আটক করা হয়।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় ৯নং ইউনিয়ন পরিষদের কড়ইয়া ৩নং ওয়ার্ডের যুবলীগের সভাপতি দিদারুল আলম ও ইউপি সদস্য মোঃ মানিক মিয়ার সাহসীকতায় গরুচোরকে ধরে প্রসাশনে খবর দেন,এ ব্যাপারে আসামি মোঃ রাসেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাসহ ধর্ষণ মামলা রয়েছে বলে জানা যায়,

এসময় ঘটনাস্থলে এসআই তাইজুল ইসলামের ফোর্স নিয়ে আসামি মোঃ রাসেলকে গ্রেফতার করেন,তার সাথে গরু উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।গরুচুরির ঘটনার মূল হোতা মোঃ আলমগীর মিয়াজি,পিতা মোহন মিয়াজি,বাড়ি বাসাবাড়িয়া নতুন মিরাজ বাড়ি, তাকে আজ সকালে আটক করা হয়েছে।বাদী মাছুমা বেগম,স্বামী মোঃ আমির হোসেন,গ্রাম বড় হয়াতপুর নোয়া বাড়ি,তিনি আজ বুধবার সকালে কচুয়া থানায় গরুচুরির একটি অভিযোগ দায়ের করেন।আটককৃত গরু চোর দুইজনকে গরুচুরির মামলা দেওয়া হয়েছে।যাহার মামলা নং-২১।
এব্যাপারে কচুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ ওসি মোঃ মহিউদ্দিন জানান, একটি চক্র এলাকায় এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন, আমরা এই বিষয়ে তদন্ত সপক্ষে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।

উক্ত গরু চুরির আসামিদের যথাযথ পুলিশ পাহাড়ায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকা বাসির একটাই দাবি এদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়,তার সাথে এই চক্রে যারা লিপ্ত আছে,তাদেরকে ও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।
তাছাড়াও আরও এলাকা বাসি জানায়, এই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মানিক মিয়ার এই সাহসীকতার কার্যক্রম ছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজসহ গরীব অসহায় মানুষের কল্যাণে দিন রাত এক করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন,তার এই মহানুভবতার জন্য এলাকা বাসি তাকে গরীবের বন্ধু হিসেবে দেখছেন। H/N