POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

অগণিত মানুষের হৃদয়ে থাকবেন দেলোয়ার মিয়াজী

ডেস্ক নিউজ | প্রকাশিত: জুলাই ২৫, ২০২১ | সময়: ৯:৫১ অপরাহ্ণ
অগণিত মানুষের হৃদয়ে থাকবেন দেলোয়ার মিয়াজী
শাহারাস্তি উপজেলার জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজি (দেলু ভাই) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যু বরণের দিন তার হৃদরোগে আক্রান্তের খবর সাথে সাথে ফেসবুকে পেয়ে যাই। খবরটি পেয়ে শাহারাস্তির বেশ কয়েকজনের কাছে জানতে চাই। এই জানার এক পর্যায়ে খবর পাই, ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তার ইন্তেকালের খবরটি ফেসবুক এবং টেলিফোনের মাধ্যমে  দলীয় অনেক নেতাকর্মী আমাকে অবহিত করেন। করোনাকালীন সময়ে নিকট আত্মীয় স্বজনদের অনেকেই এবং দলীয় অনেক নেতাকর্মীর মৃত্যুতে এবং অনেকের আক্রান্তে  মনটা এমনিতেই ব্যথাক্রান্ত হয়ে রয়েছে। তার উপর দেলোয়ার মিয়াজির এই মৃত্যু সংবাদটি পেয়ে হতবিহ্ববল  হয়ে পড়ি।
লেখক প্রফেসর মোজ্জামেল হক চৌধুরী ও মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজীর একটি স্মৃতিময় ছবি
লেখক প্রফেসর মোজ্জামেল হক চৌধুরী ও মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজীর একটি স্মৃতিময় ছবি
যে জন্মিবে তাকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটাই চিরন্তন সত্য। তারপরেও কেন জানি দেলোয়ার মিয়াজির মৃত্যুটা হৃদয়টাকে ভীষণ ভাবে মোচড় দিয়েছে। বয়সে তিনি আমার চেয়ে দুই বছরের ছোট। ছোট হলেও আমি সম্বোধন করতাম ‘দেলু ভাই’ বলে। আর আমাকে সম্বোধন করতেন শুদ্ধ বাংলায় ‘প্রফেসর সাহেব’ বলে। জীবনে কখনোই এই বাক্যের ব্যতিক্রম ঘটেনি। মৃত্যুর পরে এই কয়েকদিনে তাকে নিয়ে অনেক রকম আলোচনা চলছে। হয়তবা এ ধারা আরো বেশ কিছুদিন চলবে ৷ এসব শুনতে শুনতে ও দেখতে দেখতে দুইদিন আগেই মনে মনে স্বিদ্ধান্ত নিয়েছি যে মানুষটার সাথে সম্পর্ক প্রায় চল্লিশ বছরের, যার সাথে কোনদিনও কোন কটুকথা বা উত্তপ্ত বাক্য ব্যয় কর‍তে হয়নি, তাকে নিয়ে অবশ্যই দু’কলম লিখব। সে প্রয়াশে আজকের এই লেখায় কিছু স্মৃতি চারণ করছি।
ইংরেজীতে একটি কথা আছে, Man is by birth political. সে হিসেবে আমরা সবাই রাজনীতিক। তবে রাজনীতির ধরণ এবং উদ্দেশ্যের মাঝে ভিন্নতা রয়েছে। ছাত্র জীবনে দেলু ভাই কি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন- তা আমি জানি না। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা পড়া করেছেন কিনা তাও আমি জানি না। তবে দীর্ঘ দিনের চলাফেরায় কোনদিন ও মনে হয়নি তিনি শিক্ষিত ছিলেন না। অনেকের মত শিক্ষায় বড় ডিগ্রি না থাকলেও তিনি ছিলেন একজন জ্ঞানী মানুষ। মানুষের হৃদয় জয় করার কৌশলটি জীবনে ভালোই রপ্ত করেছিলেন মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী।
সাধারণ মানুষের সাথে নিমিষেই তিনি মিশে যেতে পারতেন। এই একটি মাত্র গুণই তাকে অগণিত মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই পেতে সক্ষমতা যুগিয়েছিল।  পরোপকারী এবং দানের ক্ষেত্রে অকৃত্তিম ছিলেন। শুধু যদি একান্ত নিজের বিত্য বৈভবের কথাই চিন্তা করতেন তাহলে অনেক আগেই তিনি একজন অন্যতম ধনী মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা চান নি। আমার দেখায় যখনই কেউ তার কাছে কিছু চেয়েছেন, তিনি খালি হাতে ফিরিয়ে দেননি। একজন ভিক্ষুককেও তিনি টিপে টিপে দান করেননি। মন যদি ভালো থাকত ভিক্ষুকের জন্য পকেটে হাত ঢুকিয়েছেন, হাতে যা উঠেছে সব টুকুই দিয়ে দিত। এ আমার অনেক বারের দেখা। আবার মন যদি ভালো না থাকত, ঠাস করে হয়ত দুটো কথাও বলতে দ্বিধা করত না। অনেক স্পষ্টবাদী মানুষ ছিলেন তিনি। মুখে এক, অন্তরে আরেক- এই নীতির চরম বিরোধী ব্যক্তিত্ব ছিলেন আমাদের এই প্রিয় দেলু ভাই।
শাহারাস্তি উপজেলার রাজনীতিতে দুবার তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিল। যখন তার প্রিয় দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিলো না। এটা সম্ভব হয়েছিল তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কৌশল এবং আপামর জনতার সমর্থনের কারণে। উপজেলার পূর্বেও তিনি আরেকটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যেটা ছিল শাহারাস্তি পৌরসভার দ্বিতীয় নির্বাচন। তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী কিন্তু দলের আরো একজন ও প্রার্থী ছিলেন। দল কিন্তু তখন ক্ষমতায়। কিন্তু দলের অনৈক্যের কারণে ঐসময় তিনি নির্বাচিত হতে পারেন নি। দলের একক প্রার্থী হওয়ার জন্য তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। যার সাক্ষী আমি। এ প্রয়োজনে তিনি একাধিক বার কুমিল্লা বার্ডের মহাপরিচালকের গেস্ট হাউজে আসেন এবং অনেক দেন দরবার করেও শেষ অবধি সফল হতে পারেন নি। এ পরাজয় দেলু ভাইয়ের একার ছিল না, ছিল দলের এবং দলীয় নেতৃত্বের।
অনেকেই প্রয়াত দেলোয়ার মিয়াজীকে একজন এক রোখা মানুষ হিসেবে চিহ্নিত করতেন। আমি তাদের সাথে অনেকটাই একমত। তবে, নীতির ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন আপোষহীন। এ কথাও সত্য আপোষহীনতা সকল ক্ষেত্রে মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না। সেটা ব্যক্তি জীবনে হোক বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রেই হউক। এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনার অবতারণা করতে চাই।
সনটি সম্ভবত ২০১০-১১ হবে। শাহারাস্তিতে ইঞ্জিনিয়ার মমিন ভাই, দেলোয়ার মিজি সহ দুই একটি রাজনৈতিক প্রোগ্রাম শেষে রাত্রি বেলা আমরা মমিন সাহেবের বাড়িতে আসি। রাত্রি ১০ টায় খবর পাই, চাঁদপুরে আমাদের একজন নেতা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে শয্যাশায়ী। এ সংবাদে আমরা সিদ্ধান্ত নেই নেতাকে দেখতে আমরা চাঁদপুরে যাবো। রাত সাড়ে দশটায় দুটো গাড়িতে করে আমরা চাঁদপুর রওনা হই। পথিমধ্যে বলাখাল পেট্রোল পাম্প থেকে গাড়িতে তেল নিয়ে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেই। দেলোয়ার ভাই এর গাড়িতে আমি তার পাশে বসে ছিলাম। মমিন ভাই সহ অন্যরা মমিন ভাইয়ের গাড়িতে। আমি শুনতে পেলাম দেলোয়ার ভাই মোবাইলে চাঁদপুরে তার বাসায় কথা বলছেন। রাতের বেলা ৮-১০ জন বাসায় খাবে। এই কথাটাকে আমি ঐ সময়ে তেমন একটা গুরুত্ব দেইনি। রোগী দেখা এবং কিছু রাজনৈতিক কর্মকান্ড সেরে চাঁদপুর থেকে যখন আমরা হাজীগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে রওনা দেই- তখন রাত্র পৌনে দুইটা। চাঁদপুর কলেজ পেরিয়ে একটু সামনে এলেই দেলোয়ার ভাই গাড়ি ব্রেক করেন। আমি তখন পিছনের গাড়িতে। তিনি গাড়ি থেকে নেমে আমাদেরকেও নামতে বলেন। আমরা না বলতে থাকি।
অগণিত মানুষের হৃদয়ে থাকবেন দেলোয়ার মিয়াজী
অগণিত মানুষের হৃদয়ে থাকবেন দেলোয়ার মিয়াজী
তিনি রেগে গিয়ে বলেন,”কথা কি আমারটা থাকবে নাকি আপনাদেরটা?” এই কথার জবাব না দিয়ে আমরা সবাই নেমে পড়ি। এবং আমি দেলোয়ার ভাইকে বলি,”দেলু ভাই, আমি জানতাম আপনি একজন একরোখা স্বভাবের লোক। কিন্তু কতটা যে একরোখা সেটা আজ টের পেলাম।”  এই কথা বলার সাথে সাথে তিনি আমাকে এক হাতে জড়িয়ে ধরে আরেক হাতে মমিন ভাইকে জড়িয়ে ধরে বাসায় যাওয়ার কথা বলে এবং বলেন, “রাস্তায় আর কথা নয়।খাওয়া দাওয়ার পরে কথা বলা যাবে।” সম্ভবত তার বাসাটা ছিল দোতালায়। বাসায় ঢুকেই দেখি টেবিল ভর্তি খাওয়া। গভীর রাতে দিনের অক্লান্ত পরিশ্রমে শরীর ক্লান্ত, চোখে ঘুম ঘুম ভাব। তারপরেও সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া শেষ করি। খাওয়ার পরে আবার চা পান করে তাকে বাসায় রেখে আমরা হাজীগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে রওনা দেই। এবং ভোর  পৌনে চারটায় মমিন ভাই এর বাড়িতে এসে  শুয়ে পড়ি। এ এক চরম স্মৃতি। যা আজীবন মনে থাকবে।  দেলোয়ার ভাই এর ওই আতিথেয়তার কথা অনেক বার অনেক জায়গায় বলেছি। আজীবন বলেই যাব। তার আতিথেয়তার কোন তুলনা নেই। সর্বশেষ তার কন্যার বিয়েতে হাজার হাজার মানুষের আমন্ত্রণ এবং উপস্থিতি তার জ্বলন্ত উদাহরণ।
৬৫ বছর বয়সের প্রয়াত দেলোয়ার মিজির ৪২ বছরের রাজনৈতিক জীবনের উপর আলোকপাত করা এই ক্ষুদ্র প্রয়াসে সম্ভব না। তার এই বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে চাওয়া পাওয়ার হিসেবের মাঝে যেমন গড়মিল রয়েছে, তেমনি ভাবে আছে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, রাগ- ক্ষোভ, দুঃখ – কষ্টের অনেক ঘটনাবহুল ঘটনা।
শাহরাস্তি উপজেলার অন্যতম প্রাণ পুরুষ মরহুম ছিদ্দিকুর রহমান স্যারের পরে তিনিই বিএনপির হাল ধরেন বলিষ্ঠ ভাবে। তার এই বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে অনেকেই রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠা পান আবার অনেকেই অনেক চেষ্টা স্বত্বেও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে নি। রাজনীতিতে যেমন সফলতা ছিল তেমনি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যর্থতাও ছিল। কোন মানুষই তো আর এই পৃথিবীতে শতভাগ সফলকাম হতে পারে না। এম এ মতিন সাহেবের রাজনৈতিক সহচর হিসেবে যেমনি ভাবে তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল। ২০০৮ এর নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক সাহেবের পক্ষেও তার ছিল তেমনি অকুন্ঠ সমর্থন ও অকুতোভয় সৈনিকের ভূমিকা। শাহরাস্তির রাজনীতির পরিক্রমার বিশ্লেষণে দেখা যায়, অনেকের সাথেই তার অনেক আন্তরিকতার পরেও তাদেরই অনেকের সাথে আবার সম্পর্কে ব্যতিক্রম।
সম্রাট জাহাঙ্গীরের  চরিত্র বিশ্লেষণ করতে যেয়ে ঐতিহাসিক পিকে হিট্টি’র  একটি মহান উক্তি এই মুহুর্তে মনে পড়ে যায়। তিনি বলেন, “Jahangir’s character was  mixture of opposites.” এই বিশ্লেষণের সাথে আমি শাহারাস্তির অন্যতম প্রান পুরুষ দেলোয়ার ভাই এর তুলনা করতে পারি।
লেখক প্রফেসর মোজ্জামেল হক চৌধুরী ও মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজীর একটি স্মৃতিময় ছবি
লেখক প্রফেসর মোজ্জামেল হক চৌধুরী ও মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজীর একটি স্মৃতিময় ছবি

মাটি ও মানুষের নেতা দেলোয়ার  মিয়াজির মৃত্যুর পরে যেকোন একজন দলীয় নেতার একটি মন্তব্যে মনে অনেক কষ্ট অনুভব করেছিলাম। তিনি মন্তব্য করেন, জানাজার পরে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে মৃত ব্যক্তির উপর যত প্রসংশাই করা হোক না কেন, তাতে ওই মৃত ব্যক্তির কোন উপকার হবে না। আমি মুফতি নই, ধর্মীয় রীতিনীতি সম্পর্কেও আমার যথেষ্ট জ্ঞান নেই। তবে আমি দেখেছি অনেক মুফতী ও আলেম-ওলামাদের উপস্থিতিতে, অনেকের জানাজায় মৃত ব্যক্তির উপর আলোচনা করতে। ওই সময়ে মুফতী বা আলেম ওলামাদের পক্ষে কোন রূপ প্রতিবাদ বা নিষেধ করা হয়নি। তাহলে আমি মনে করি হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে এই জানাজায় প্রতিহিংসার বসে ওই নেতা এরূপ মন্তব্য করেন। একজন মানুষের জীবনের শেষ ইচ্ছা থাকে মৃত্যুর পরে তার জানাজায় যেন বেশি মানুষ শরিক হয় এবং আমি মনে করি প্রতিটি মানুষের-ই জীবনের শেষ চাওয়া এটাই। সমবেত কন্ঠে সবাই যদি কোন মৃত ব্যক্তির জানাজায় অংশগ্রহণ করে, একবার ইন্না-লিল্লাহ  পড়ে,  এটাও তার নাজাতের জন্য উসিলা হতে পারে।

তিন কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী। চারদিন পর রুহের মাগফেরাতে কিছু অনুষ্ঠান হয়। আবার আমাদের সমাজের রীতিনীতি অনুযায়ী চল্লিশ দিনের মাথায় আবার একটি অনুষ্ঠান। তার পরে বছরে একবার মৃত্যু বার্ষিকী। এভাবে এক প্রজন্ম-দুই প্রজন্ম পরে আর কিছুই থাকবে না। যা আমার পূর্ব পুরুষদের বেলায় এবং আপনাদের পূর্ব পুরুষদের বেলায় ও ঘটেছিল। আমার বেলায় ও ঘটবে। আপনার বেলায় ও ঘটবে।  এটাই সত্য। তাই আসুন, এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে পরকালের কথা চিন্তা করে অহেতুক মানুষের বিরুদ্ধে কথা বলা থেকে বিরত থাকি। সত্যকে সত্য কে বলি। মিথ্যাকে মিথ্যা না বলতে পারলেও চুপ থাকি। নিজের আমলনামায় পাপের বোঝা ভারী করা থেকে সংযত থাকি। একথা একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নয়, একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে, একজন মুসলমান হিসেবে সমাজের প্রতিটা মানুষের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ।
দেলোয়ার ভাই বেঁচে থাকলে হয়ত জীবনে অনেক কিছুই হতে পারতেন। সমাজের জন্য আরো কিছু করতে পারতেন। মানুষের হৃদয়ে আরো নিবিড় ভাবে অবস্থান করতে পারতেন। কিন্তু সব কথার শেষ কথা,“Man proposes but God disposes.” ভাল মন্দ মিশিয়েই মানুষের জীবন। দেলোয়ার ভাই তার থেকে ব্যতিক্রমী কিছু নন। আজ কায়োমনো বাক্যে প্রার্থনা করি, আল্লাহ পাক মরহুমের জীবনের ভুল ত্রুটি সমূহ ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতবাসী করুক। শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা এবং এই শোক সইবার তৌফিক আল্লাহ পাক দান করুন। আমিন। আমিন।

লেখক প্রফেসর মোজ্জামেল হক চৌধুরী ও মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজীর একটি স্মৃতিময় ছবি
লেখক প্রফেসর মোজ্জামেল হক চৌধুরী ও মরহুম দেলোয়ার হোসেন মিয়াজীর একটি স্মৃতিময় ছবি

আমিন।

পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন