চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড কোম্পানির (মেডিসিন) বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আব্দুর রহমান (৪২) সুইসাইড নোট রেখে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
আজ (১৭ জুলাই) সকালে পৌরসভাস্থ ৩নং ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া এলাকায় মৃত ব্যক্তির ভাড়া করা বাসা থেকে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার কুদ্দুস সরকারের ছেলে আব্দুর রহমান। তিনি বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে মতলব দক্ষিণ উপজেলায় দি একমি ল্যাবরেটরিজ কোম্পানির (মেডিসিন) বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক সাড়ে আটটা থেকে ৯টায় কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার আবুল কাশেম রুটিন ওয়ার্ক পর্যবেক্ষণের জন্য উপজেলায় কর্মরত সকল বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাথে মিটিং করেন। মিটিং এর সময় আব্দুর রহমান এর মুঠোফোনে কল দিয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। অতঃপর ঘোষপাড়া এলাকায় সাকিব ডায়াগনিস্টিক সেন্টারের পাশে যে বাড়িতে তিনি ভাড়া থাকতেন সেখানে গিয়ে বেশ কয়েকবার ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়া যায় নি। দরজা ভেতর থেকে লক করা ছিল। ভেতর থেকে টেলিভশনের শব্দ শোনা যাচ্ছিল।
অতঃপর এরিয়া ম্যানেজার মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে। খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে বিক্রয় প্রতিনিধি আব্দুর রহমানকে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। ৎ
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আব্দুর রহমানের মৃতদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ একটি সুইসাইড নোট পেয়েছে। যেখানে তার মৃত্যুর জন্য কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার আবুল কাশেম দায়ী বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ আব্দুর রহমানের মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার আবুল কাশেমকে হেফাজতে নিয়েছে।
H/N