হাজীগঞ্জে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও ৩৮ বছর বয়সী শিক্ষক নিখোঁজের একমাস পর পুলিশের হাতে ধরা পড়ে এখন শ্রীঘরে।
হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় উত্তরপাড়া ভ্রাম্যমান কোচিং সেন্টারের শিক্ষক জসিম উদ্দিন শিক্ষার্থীকে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার রাতে ৮নং ওয়ার্ডের টোরাগড় কাজী বাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়। ওইসময় শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়।
এদিকে শিক্ষক জসিম উদ্দিনকে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ।
স্কুলছাত্রী হাজিগঞ্জ পৌর ৭নং ওয়ার্ড টোরাগড় উত্তরপাড়া রহিম গাজী বাড়ির প্রবাসীর মেয়ে।
একই এলাকার মালিক মোবারক হোসেন চৌধুরীর মায়া মন্জিলে জসিম উদ্দিন পরিচালিত ভাম্যমান কোচিং সেন্টার।
স্কুল ছাত্রী নিখোঁজের পর দিন থেকে শিক্ষক জসিম উদ্দিনও লাপাত্তা। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ ছিল।
স্কুল ছাত্রীর মা বলেন, শিক্ষক জসিম একই বাড়ির প্রবাসী হোসেনের সমদ ভাই, তাহার বড় বোন ছায়াবীথি আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহিন সুলতানা। তার পরিচয়ে জসিম টোরাগড় গ্রামে প্রায় দুই আড়াই বছর ধরে প্রাইভেট পড়ায়।
শিক্ষার্থীর মা আরো জানিয়েছেন প্রতি মাসেই প্রাইভেট পড়ানোর নামে আড়াই হাজার টাকা করে গুনে নেয় জসিম। আর এখন এমন সর্বনাশ করলো।
শিক্ষক জসিম উদ্দিনের বড় বোন ছায়াবীথি আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহিন সুলতানা ভাই জসিম উদ্দিনের এমন ঘটনার পর গা-ঢাকা দিয়েছে।
কোচিং সেন্টারে গিয়ে জানা গেছে, সেখানে ওই শিক্ষকের বেড রোমও রয়েছে। তার বাড়ী মতলব দক্ষিণ উপজেলায়। তার সেখানে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে।