পবিত্র রমজানের শেষ জুমাবার বা জুমাতুল বিদা আজ। একে সিয়াম-সাধনার মাস বিদায়ের সমাপ্তিসূচক মনে করা হয়। বিশ্বজুড়েই দিনটিকে পালন করছেন মুসলিম উম্মাহ।
দিনটি ঘিরে সরাসরি কোনো ফজিলত না থাকলেও ইসলামের সূচনা কাল থেকেই একে গুরুত্ব দিয়ে পালন করে থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
শুক্রবার জুম্মার আজানের পর হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে হাজির হতে শুরু করেন মসুল্লিরা। প্রায় ২৫হাজার মুসুল্লির সমাগম ঘটে।
করোনা কালে মসজিতে নামাজ আদায়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হলেও উপেক্ষিত ছিলো সামাজিক দুরত্ব।
বয়ানে তুলে ধরা হয় জুম্মাতুল বিদার মাহাত্ব। এবং নামাজের পর মহান আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের পাশাপাশি করোনা থেকে মুক্তির ফরিয়াদ জানান মসুল্লিরা
বিদায়ের নামাজ আদায়ের পর মোনাজাতের মাধ্যমে আল্লাহর দরবারে মাগফিরাত কামনা করেন পাশাপাশি করোনা থেকে মুক্তির ফরিয়াদ জানান মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি আবদুর রউফ। ওইসময় মুসুল্লিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ইসলামি শরিয়তে আলাদাভাবে কোনো ফজিলত না থাকলেও ইসলামের সূচনাকাল থেকেই রমজানের শেষ জুমাটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালিত হয়ে আসছে। তবে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব, ফজিলত ও মর্যাদা অনেক বেশি। আর রমজানের কারণে জুমার দিনের মর্যাদা আরও বেড়ে যায়।
তবে রমজান মাসের শেষ জুমা হিসেবে এদিন ‘আল-কুদস দিবস’ পালিত হওয়ায় এর গুরুত্ব, তাৎপর্য ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। মানুষ দলে দলে জুমা আদায় করতে মসজিদের দিকে ধাবিত হবে। মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে মুসলিম উম্মাহ আজ জুমার নামাজ শেষে মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করেন।
১৪৪২ হিজরির রমজান মাসে মুসলিম উম্মাহ ইতিমধ্যে তিনটি জুমা অতিবাহিত করেছেন। আজ রমজানের বিদায়ী জুমা। তাই কোরআন নাজিলের মাসের মর্যাদা ও বরকতের সঙ্গে জুমার মর্যাদা ও ফজিলতে মুমিন রোজাদারদের আমল ও হৃদয় হোক আলোকিত।