বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যু সংখ্যা সাড়ে নয় হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
ভাইরাসের ব্যাপক সামাজিক সংক্রমণের কারণে এখন ঢাকার বাইরেও প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচুর রোগী শনাক্ত হচ্ছে।
প্রতিদিনই হাজারো মানুষ আক্রান্ত হওয়ায় মারাত্মক চাপে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসেবে বাংলাদেশে ৬৫৪টি সরকারি এবং ৫০৫৫টি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে।
করোনাভাইরাস মহামারির সময় রোগীর চাপ ও আতঙ্কে সাধারণ রোগীরাও অতি জরুরি না হলে হাসপাতালে যাচ্ছেন না।
এমন অবস্থায় বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশন বলছে, গত ৮ দিনে চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৪ জন, আর মারা গেছেন দুইজন চিকিৎসক।
নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ১২২জন । এ ছাড়া ৭০ জন মেডিকেল টেকনিশিয়ানও আক্রান্ত হয়েছেন।
নোয়াখালী কোভিড হাসপাতালের পরিচালক ড. নিরুপম দাস বলছিলেন, স্বাস্থ্য কর্মীরা আক্রান্ত হওয়ার ফলে আরো হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসা দিতে।
তিনি বলছেন “রোষ্টার ডিউটিতে যেখানে একজনকে ৮ ঘন্টা কাজ করতে হয় সেখানে জনবল কম হওয়ার কারণে ১২ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করা হচ্ছে”।
“বুঝতেই পারছেন, এই গরমে পিপিই পরে এতক্ষণ ডিউটি করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে”।
তিনি বলছিলেন এবারে করোনাভাইরাসের ২য় ঢেউয়ের সময় তারা দেখছেন যে তরুণ চিকিৎসকরা বেশি করে আক্রান্ত হচ্ছেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে যেসব জায়গায় রোগী কম কিন্তু ডাক্তার বেশি – সেখান থেকে ডাক্তার এনে যেখানে রোগী বেশি সেখানে কাজ করানো হচ্ছে।
সব চিকিৎসকদের শিক্ষা-কালীন ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি যারা ট্রেনিং করছিলেন তারাও পূর্ণকালীন কাজ করছেন।
সূত্র:বিবিসি বাংলা
H/N