হাজীগঞ্জ উপজেলায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের শুরুতেই ৩৫জন করোন শনাক্ত হয়েছে।
রবিবার দুপুর পর্যন্ত একদিনে ১২জনকে পরিক্ষা করা হয়েছে। তারমধ্যে ছয়জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত ৩৫ জন করোনা সনাক্ত হয়েছে।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোয়েব আহমেদ চিশতী যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি আরো জানান, উপজেলার বিভিন্ন স্হানে করোনার রোগীদেরকে হোম কোয়ারেইন্টাইনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদিকে উপজেলায় লকডাউন ঘোষনা করার পর পরই যেনো ঈদের মতো কেনাকাটা নেমেছেন সাধারন মানুষ। কোন রকম স্বাস্হ্য বিধি না মেনেই হাজীগঞ্জ বাজারে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতা ও যাত্রী ভীড় দেখা গেছে।
হাজীগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন ব্যাংকে উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে। ইসলামী ব্যাংক হাজীগঞ্জ শাখা ও অগ্রণী ব্যাংক হাজীগঞ্জ শাখা সহ ব্যাংকগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। ব্যাংক থেকে রাস্তা পর্য়ন্ত দীর্ঘ লাইনে গ্রাহকরা টাকা তুলতে অপেক্ষা করছিলো। কাচা বাজার, মুদি দোকানসহ খাদ্যসামগ্রী বিক্রয় এলাকায় তিল পড়ার ঠাই ছিলো না।
হাজীগঞ্জ বাজারের চাঁদপুর-কুমিল্লা সড়কের যানযটে ছিলো নাকাল। হাজীগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশ যানযট নিরসন ও বিভিন্ন যানবাহন নিয়ন্ত্রন করতে হিমসিম খেয়েছে। টি আই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সড়কের এমন পরিস্হিতি এবং মানুষের বাজারে ভীড় করার এমন চিত্র আর কখনো দেখিনি।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনুর রশিদ বলেন, লকডাউন শুরু হলে সরকারের নেয়া সকল সিদ্বান্ত বাস্তবায়নের জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। সভা-সমাবেশ গনজমায়েত ঠেকাতে আমরা প্রতিদিন কাজ করছি। সচেতন করতে মাইকিং ও মাস্ক বিতরন অব্যাহত রেখেছি। তবে এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের কোন তৎপরতা দেখা যায় নি।
H/N