
মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) নিজের ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে ‘বিদায় ছাত্রলীগ লিখে’ তিনি ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ঘোষণার পরেই এ নিয়ে উপজেলাজুড়ে তৃণমূল ছাত্রলীগসহ সর্বস্তরের নেতাদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।
সমালোচনার মুখে কয়েক ঘন্টা পর স্ট্যাটাসটি ফেসবুকে আর না দেখা গেলেও সেটির স্কিনশর্ট শেয়ার করে মঙ্গলবার দিনগত রাতে ‘সকলের দৃষ্টি আর্কষণ করছি’ জানিয়ে ফের আরেকটি পোস্ট দেন আতিকুর রহমান।
এখন বাকি জীবনটা ইসলামের পথে থাকতে চান জানিয়ে আতিকুর রহমান লিখেন, আমি শুধুমাত্র আমার ধর্ম নিয়ে কাটাতে চাই। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলা গড়তে কোন পোষ্ট পদবী লাগবে না। ইনশাআল্লাহ নিজের জায়গা থেকে দেশ ও মানুষের সেবায় যাতে কাজ করে যেতে পারি, সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আর আমি মিথ্যে বলতে পারবো না। তাই সত্যটা তুলে ধরলাম। বিচার আপনাদের’।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু ইউসুফ মোহন গাজী এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘২০১৫ সালে আমাদের ছাত্রলীগের কমিটি গঠন হয় এবং ২০১৮ তে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। দলের জন্য ত্যাগ-শ্রম ও ব্যাকরাউন্ড বিবেচনা করেই আমাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে। সে আমাদের সাথেই আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলো এবং তারা পারিবারিকভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ও তার বাবা দুর্দিনের কান্ডারী ছিলেন। কিন্তু আতিকুর রহমান হঠাৎ কিভাবে ভিন্নমতে চলে গেল সেটা আমাদের জানা নেই।’
তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠন, কিন্তু দুই-একজন পথভ্রষ্টদের দায় সংগঠন নিতে পারে না। তাই এ বিষয়ে দলীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন মিয়াজী এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘বিভিন্ন প্রোগ্রাম-অনুষ্ঠানে আতিককে আমি দেখেছি, তবে ওর সম্পর্কে আমার ভালোভাবে জানা নেই। আতিকের বাবা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামে দলের জন্য অনেক অবদান রেখেছে।’
এ বিষয়ে বক্তব্য আতিকুর রহমানের মুঠোফোনে পপুলার বিডিনিউজকে বলেন, পরিবার থেকে কথা বলা নিষেধ। তবে আমি পুনরায় আরোও একটি পোস্ট করেছি।