হাজীগঞ্জ উপজেলা র ৬ নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের দিগছাইল গ্রামে দশম শ্রেণির ছাত্রকে বিয়ের দাবিতে চারদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষার্থী সুইটি অনশন করে।
খবর পেয়ে রোববার দুপুরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ছাত্রের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা নিয়েছে।
স্কুলছাত্রী একই ইউনিয়নের সোনাইমুড়ী মিজি বাড়ীর শুকুর আলমের মেয়ে লিমা আক্তার সুইটি। সে বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী । একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র দিগছাইল বেপারী বাড়ী ওরফে ঢালী বাড়ির ছেলে প্রবাসী শুকুর আলমের ছেলে নকিবুল হাসান রাকিব।
অনশনকারী ছাত্রী সাংবাদিকদের জানান, গত ১৮ মার্চ রাকিবের সাথে চট্টগ্রামে গিয়ে একটি হোটেলে পাঁচদিন ছিলেন। সেখান থেকে রাকিবের এক মামা তাদের বিয়ে দিবে বলে হাজীগঞ্জ বাজারে নিয়ে আসে।
বাজারে আসার পর সুমন নামের ওই মামা ছাত্রীকে একা রেখে চম্পট মারে।
তারপর থেকে মেয়েটি প্রতিদিন সকালে তার প্রেমিক দশম শ্রেণীর ছাত্র রাকিবের বাড়িতে গিয়ে বাড়ির বারান্দায় বসে অনশন করে।
প্রথম দিনের পর নকিবের বাড়িতে তালা মেরে তার মাসহ স্বজনরা পালিয়ে যায়। তারপরও নাছোড় বান্দা হিসেবে ছাত্রী ওই বাড়িতে টানা চার দিন অনশন করে। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তবে এই ঘটনার বিষয়ে গত ২১ মার্চ ছেলে নিখোঁজ বলে নকিবের মা হাজীগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, ধর্ষণের মামলা নেয়া হয়েছে। মেয়েটির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কাজ চলছে।