শুক্রবার বিকালে পুকুরের পানিতে পড়ে হাজীগঞ্জ উপজেলার ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের ৯৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ মারা যায়। তাঁর মৃত্যু সংক্রান্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অফিসার ফোর্স নিয়ে স্পটে গেলাম। মৃতের লাশ প্রায় ২ ঘন্টা পর্যন্ত খাটিয়ার উপর পড়ে ছিল কিন্তু তেমন কোন লোক দেখতে আসলনা।
যেই মাত্র পুলিশ গেল, কথা নাই বার্তা নাই লোকজন হুমড়ি খেয়ে হাজির হল। বসে লেখা-লেখির কাজটা করবো তাও সুষ্টুভাবে পারছিলাম না, কারণ লোকজন আমাদেরকে চারদিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে চেঁচামেচি করছে।
শিশু- যুবক-বৃদ্ধ কারও মুখে মাক্স নেই। যাহোক, রাগ করে বললাম, তোমাদের মুখে মাক্স নেই কেন? তোমাদের করোনার ভয় নেই।
উপস্থিত কয়েকজন যুবক ফিসফিস করে বলতে লাগল, আমাদেরকে করোনা ধরবেনা, করোনা ধরে পুলিশকে। যেমন,তাদের গ্রামে কোন সাধারণ লোক করোনায় মারা যায় নাই কিন্তু মারা গেলেন এক পুলিশ ইন্সপেক্টর। কি আর বলবো, তাদের উত্তর শুনে চুপ হয়ে গেলাম।
পরে বললাম, আমরা পুলিশরা যেখানেই যাই, সেখানেই তোমাদের মতো করোনা রোগীরা ঘিরে দাঁড়াও। সে কারণেই আমরা পুলিশরা করোনায় বেশী আক্রান্ত হই।
কাকে বুঝাব মনের দুঃখ———।