চাঁদপুর শহর ও শহরতলীর চুলকাটার সেলুনগুলো সরকারের নিয়মনীতি মানছে না। প্রতিদিন সকল শ্রেনী পেশার মানুষেরা তাদের অত্যান্ত প্রয়োজন মনে করে সেলুনে গিয়ে নরসুন্দর হতে গিয়ে নরসুন্দর শিল্পীদের মাধ্যমে অতি সহজে করোনা ভাইরাস ছড়াচেছ খুব সহজ উপায়ে।
এক জরিপের ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মতামতের ভিত্তির মাধ্যমে জানা যায়,শহর ও শহরতলীর সকল শ্রেনী পেশার মানুষেরা পূর্বের ন্যায় চুলকাটা ও সেইভ করার প্রয়োজনে সচেতন নাগরিক হওয়ার পর ও সহজ ও সরল ভাবে বিষয়টিকে নিয়ে করোনার ঝুঁকির দিক বিবেচনা নাকরে চুলকাটা,সেইভ হওয়া ও অতি গরমের দিক চিন্তা করে মাথার চুল ন্যাড়ার করার মাধ্যমে নিজেই করোনা ভাইরাস মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। এ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসদের মতামত হাট বাজার,ব্যানগাড়ী,সেলুন,মুদিদোকান ও সপিংমল থেকে অতি সহজে করোনা ভাইরাস বেশী ছড়াতে দেখা যাচেছ।
চাঁদপুর শহর ও শহরতলীর সেলুন গুলোর কারিগররা নরসুন্দর শিল্পীরা সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে না বা মানছে না।
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসন করোনা ভাইরাস সংক্রামন থেকে বাচাঁর উপায় হিসেবে একটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। তা’হচেছ পুরো চাঁদপুর জেলা লকডাউন করা হয়েছে। সে লকডাউন নামেনে অধিকাংশ সেলুন চুরি করে সাটার নীচু করে দিয়ে খোলা রাখা হচেছ। তারা প্রশাসনের এ হস্তক্ষেপ মানছে না। মানুষদেরকে করোনা থেকে মুক্ত রাখতে হলে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তা না হলে লকডাউন দিয়ে ও করোনা প্রতিরোধ তো’দুরের কথা করোনা অতি দ্রুত ভাবে ছড়ানোর আশংকা করছেন চাঁদপুরের বুদ্বিজীবি,সচেতন মহলের ও সমাজের ব্যক্তিরা।
গত কয়েকদিন যাবত সরোজমিনে চাঁদপুর শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন হাট, বাজার,মাকেট, পাড়া, মহল্লায় ও শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত ও থাকা সেলুন এলাকায় গুরে দেখা যায়,সরকারের নিয়মনীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা নাকরে মানুষকে নরসুন্দর করার জন্য নরসুন্দর করার যে সকল শিল্পী রয়েছে,তারা তাদের নিজেদের ইচছা মত সেলুন খুলে সেখানে নিত্যদিন শহর ও শহরতলীর যুবক ও মধ্যবয়সী ব্যক্তি ও শিশুদের নরসুন্দর করার জন্য চুলকাটা,সেইভ করা,চুলে কলপ লাগানো,মাথা নেড়াকরাসহ সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচেছ। এতে করে দেখা যায় নরসুন্দর শিল্পীরা তাদের সেলুনে কাজ করার ক্ষেত্রে হাতে হ্যান্ড গ্লাভস্,মুখে মাস্ক,মাথার মাস্ক বা টুপি ও শরীরে পিপিই পরিধান করছে না।
যার ফলে করোনা আক্রান্ত যুবক,মধ্যবয়সি ব্যক্তি ও শিশুরা করোনা নিয়ে সেলুন গুলোতে নরসুন্দর হতে গিয়ে করোনা ছড়াচেছ অতি সহজে। করোনা আক্রান্ত যে কেউ সেলুন গুলোতে চুল কাটা,সেইভ হওয়া ও মাথা ন্যাড়া করতে এসে সেলুনের নরসুন্দর শিল্পীকে করোনায় আক্রান্ত করছে। একই সেলুনে পরবর্তীতে যে ব্যক্তি চুলকাটা,সেইভ হওয়া ও মাথা ন্যাড়া করার ফলে সে নরসুন্দর শিল্পীর মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অতি সহজে এ মরনঘাতী করোনার ভাইরাসের সংক্রামনে আক্রান্ত হচেছ। শহরের সেলুন গুলোর এ সব নরসুন্দর শিল্পীরা যদি স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিজে সেইভ করতে থাকতো তা’হলে করোনা ভাইরাস তার মাধ্যমে এত দ্রুত ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিলনা।
এক জরিপে দেখা যায় শহর ও শহরতলীর সেলুন গুলোর মাধ্যমে প্রতিদিন কেউনা কেউ অতি সহজে করোনায় ভাইরাসের সংক্রামনে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেই। এ ছাড়া দেখা যায়, সেলুনের এ সব শিল্পীরা তাদের নিত্যদিন ব্যবহারকৃত যন্ত্রাং ব্যবহারের পর গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলা বা গরমপানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার নিয়ম থাকলেও কোন সেলুন গুলোতে এ নিয়ম বিগত দিনে বা বর্তমান এ কঠিন বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে ও মানতে দেখা যাচেছ না।
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো: মাজেদুর রহমান খান গত ৯মার্চ চাঁদপুর জেলাকে লকডাউন ঘোষনার প্রথম দিকে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালত বন্ধ রেখে আদেশ পালন করেছেন। কিছুদিন পার হওয়ার পরই দেখা গেছে,অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গোপনে খুলে ব্যবসা পরিচালনার করেছে। এতে করে দেখা যায় প্রশাসনের নজরে আসায় অনেক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ও হুশিয়ার করে দিয়েছে। কিন্ত চাঁদপুর শহর ও শহরতলীর কোথায় ও কোন সেলুনকে বা নরসুন্দর শিল্পীকে জরিমানার আওতায় আনা হয়নি বা হুশিয়ার করেও দেওয়া হয়নি। যার ফলে অধিকাংশ এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সেলুন গুলো তাদের দোকানের ভিতরে নরসুন্দর হওয়ায় আগ্রহী ব্যক্তিদের ডুকিয়ে বা সেলুনের সাটার নীচু করে দিয়ে ভিতরে ঠিকই তাদের চুলকাটা,সেইভ করা ও মাথার চুল ন্যাড়া করা কাজ করে নীজেরা এ সময় পূর্বের চাইতে বেশী মুজরী নিয়ে লাভবান হয়েছেন বলে নরসুন্দর শিল্পীদের সাথে আলাপ কালেই তারা জানান।
শুক্রবার দেখা গেছে , শহরের নতুনবাজার এলাকা,ছায়াবানী মোড়,চিত্রলেখা মোড়,চাঁদপুর সরকারী কলেজরোড এলাকায়,ওয়ারলেছ এলাকা,চেয়ারম্যানঘাট এলাকা,ঘোলঘর,বাসস্টেশন এলাকা,ফিসারী এলাকা,টেকনিক্যাল এলাকা,মুন্সিবাড়ী এলাকা,ইচলী এলাকা,নতুনবাজার সিএসডি এলাকা,গনি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা,কোর্টস্টেশন এলাকা,ওয়ানমিনিট রোড,কুমিল্লা রোড,পালবাজার এলাকা,চৌধুরীঘাট, পৌর ফেরীঘাট এলাকা,বকুলতলা রোড,বকুলতলা মাকেট এলাকায়,ট্রাকরোড এলাকা,নিশিবিল্ডিং এলাকা,রেলওয়ে মাদ্রাসারোড এলাকা,রেলওয়ে ক্লাব রোড,বড়স্টেশন এলাকা ও শহর তলীর বাবুর হাট,মৈশাদী,মঠখোলা,চাঁনখার দোকান,মিয়ারবাজার,শাহাতলী গাছতলাসহ শহরতলীর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়,বেশীর ভাগ সেলুন গুলো খোলা এবং তারা কোন প্রকার স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এ ভাবে মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাসের ঝুকি বাড়িয়ে দিয়ে সেলুনে কাজ করে যাচেছ।
এলাকার সচেতন মানুষের সাথে আলাপকালে তারা জানান,সেলুনগুলো যদি সরকারের স্বাস্থ্য বিধি না মেনে কাজ করে,এতে করে আমাদের এলাকাবাসীর মধ্যে তারা করোনা ছড়াবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন সকল এলাকার এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনইচছুক এক জন সচেতন সেলুন কারীগর অর্থাৎ নরসুন্দর শিল্পী জানান,এক সময় আমরা একই ব্লেড দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে সেইভ বা চুল ন্যাড়া করতাম। কয়েক বছর পূর্বে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা নিরিক্ষায় দেখা গিয়েছে,একই ব্লেড একাদিক বার মানব দেহে ব্যবহারের ফলে মানুষের ক্যান্সার,এইস্, হেপাটাটিজ নামক ব্যধি ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে এ ধরনের রিপোট পত্রিকা বা বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রচার পাওয়ার ফলে সচেতন মানুষ, সেলুনের মালিক ও নরসুন্দর শিল্পীরা সোর্চার হওয়ার ফলে সেলুন গুলোতে এখন একটি ব্লেড একজনের বেশী ২জনের জন্য ব্যবহার হচেছ না।
চাঁদপুর শহর ও শহর তলীর বিভিন্ন সেলুন ব্যবসায়ী ও সেলুন কারীঘরের সাথে ব্যাপক আলোচনায় নরসুন্দর শিল্পী নরেশ,পরেশ,পরিমল,লালমহন,সুশিল,নারায়ন চন্দ্র,সুজন,কাত্তিক,শ্যামল চন্দ্র ,ছিনিবাস,রুইদাস,দেবাশীস চন্দ্র,শংকর চন্দ্র নামক ব্যাক্তিদের সাথে আলাপকালে তারা জানান,দীর্ঘদিন যাবত সেলুন বন্ধ রেখে আমরা আনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাবার পর সেলুন খুলতে বাধ্য হয়েছি। আমরা সেলুনকারীঘররা কোথায়ও থেকে এক কেজিও পর্যন্ত ত্রান বা সহায়তা পাইনি। আমাদের দেওয়ালে পিঠ লেগে গেছে। বাকী দোকান থেকে বাকী খেয়ে অনেক দেনা হয়েছি। এখন আর বাকি দোকান থেকে বাকি পর্যন্ত দেয়না। আমাদের চিন্তা কেহ করেনা। আমরা নিজেরা টাস্টমারকে জিজ্ঞাস করে তাদের করোনা নেই বললে তাদের চুল কাটা ও সেইভ করার কাজ করে থাকি। কেহ কেহ করোনা আক্রান্তের বিষয় গোপন রাখায় সেলুন থেকে করোনা সংক্রামন হচেছ বলে খবর পাওয়া যাচেছ। দেশের বিভিন্ন স্থানে সেলুন থেকে করোনা ছড়ানোর বিষয়টি পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরে সাবধনতা ও সচেনতন ভাবে কাজ করার চেস্টা করছি।
এ ব্যাপারে মৈশাদীর সচেতন এলাকারবাসী রেলওয়ের সাবেক কর্মকর্তা মো: সোলেমান গাজী জানান,সরকার ও জেলা প্রশাসক লকডাউন দিয়ে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য বললে ও কেন সেলুন কর্মচারীরা সেলুন খুলে চুল কেটে মানুষের মধ্যে করোনা ছড়াচেছ? তাদের এ সেলুন বন্ধ করে দিয়ে তাদের বিরুদ্বে ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক ও এবং এ এলাকার মানুষদেরকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষাকল্পে জরুরীভিত্তিতে স্বাস্থ্যবিভাগের মাধ্যমে সঠিক ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহন করার জোর দাবী জানাই।
এ ব্যাপারে শহরের সেলুন কর্মচারী নরসুন্দর শিল্পী নারায়র চন্দ্র নারু জানান,দীর্ঘদিন পর দোকান খুলেছি। ক্রাস্টমার তেমন নেই। সকাল ১০টা ১১টায় দোকান খুলি,আবার বিকেল ৪টায় বন্ধ করে দেই। দোকান ভাড়া,বিদ্যুৎবিল,পানির বিল,বিভিন্ন টেক্য অনেক জমা হয়ে গেছে। মাস্ক ও হেন্ড গ্লাভস্ লাগিয়েই কাজ করি আজ সে গুলো লাগাতে ভুলে গেছি। করোনা রুগী দেখে শুনে চুলকাটি ও সেইভ করি। যদি কেহ ভুল করে এসে পড়ে তা’হলে বলতে হবে ভাগ্য খারাপ। সচেতন থাকার চেস্টা করছি,বাকিটা ভগবানের ইচছা।
একটি সূত্রে জানা গেছে, সেলুন কর্মচারীদের দুদিনের কথা চিন্তা করে সম্প্রতি গত মার্চ মাসের শেষের দিকে চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ ও শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপুমনির পক্ষ থেকে চাঁদপুরের নরসুন্দর শিল্পীদের কষ্টের কথা চিন্তা করে কস্টে দিন কাটায় তাদের নামের তালিকার মাধ্যমে তালিকা করে ১৫৭ জনকে সহযোগিতা হিসেবে চালসহ বিভিন্ন ত্রান হিসেবে সহযোগিতা দেওয়া হয়ছিল।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মো: শাখায়াত উল্লাহ্ জানান,শহরের সেলুন গুলোতে যে ভাবে মানুষের চুল কাটা হচেছ,তাতে দেখা যাচেছ,সরকার ষোষিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা হচেছনা। প্রতিটি মানুষ ৬ফুট দুরুত্ব বজায় রেখে চলতে হবে।
সেলুনের নরসুন্দর শিল্পী ও চুল কাটাতে যারা আসবে ২পক্ষই যদি প্রডাটশনে না থাকে,তা’হলে করোনা সংক্রামন দ্রুত ছড়াবে। করোনার কারনে ২ মাস চুল না কাটলে কি হয়? সেলুনে চুল কাটলে মাস্ক,হ্যান্ড গ্লাভস্ ও নিজেদের প্রটাকশনের পোশাক পড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রামন কম ছড়াতে পারে। তবে চাঁদপুরেতো সংক্রামন ব্যাপক ছড়িয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছেনা। চাঁদপুরে সেলুন গুলোর উচিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
এ ব্যাপারে চাঁদপুর ২৫০ শর্যা বিশিষ্ট সরকারী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার সুজাতদৌল্লাহ্ রুবেল বলেন,হাতে হ্যান্ড গ্লাভস্, মুখে মাস্ক,ও পরিধানে স¦াস্থ্যবিধি মত পেশাক না’পরে নরসুন্দর শিল্পীরা চুল কাটার কাজটি করলে করোনা রুগির কাছাকাছি যাওয়ায় করোনা আক্রান্ত হয়ে অবশ্যই করোনা বৃদ্বি পাবে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে এ ভাবে চুল কাটাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে, সবচেয়ে বেশী। কেননা এ কাজ করতে হলে নরসুন্দর শিল্পীরা খুব কাছাকাছি এসে কাজ করছে। তাদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন,নরসুন্দর শিল্পীরা সবচেয়ে অবহেলিত,সরকার তাদের সাহায্য দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। তারা খাবে কি? ২ মাস যাবত তাদের দোকান বন্ধ ছিল। এ ছাড়া তিনি বলেন,করোনা ভাইরাস বেশী ছড়াচেছ শহরের পালবাজার, শহরের রাস্তার পাশে থাকা ব্যানগাড়ী,সপিংমল,সেলুন ও মুদিদোকানে দুরুত্ব বজায় না রেখায় করোনা ছড়াচেছ। ব্যানগাড়ী গুলো বিশাল রাস্তার জায়গা ছড়িয়ে ব্যানগাড়ী গুলোতে প্রকাশ্যে স্বাস্থ্যবিধি না’মেনে তরিতরকারি বেচা-বিক্রি করছে। এতে বেশী করোনা ছড়াচেছ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটার জরুরী ব্যবস্থা গ্রহন করা একান্ত প্রয়োজন।