সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়, সাংসারিক টানাপোড়েন ও ধর্মীয় মূল্য বোধের অভাব থেকে ফরিদগঞ্জে হঠাৎ করেই আত্মহননের প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ গত এক সপ্তাহে ৫টি অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে উঠতি বয়সের কিশোর- কিশোরী ও গৃহবধূদের মধ্যেই এই প্রবণতাটা বেশি দেখা যায়। ৫টি আত্মহত্যার ঘটনার মধ্যে দুইজন কিশোর, কিশোরী ও তিনজন গৃহবধূ।
বৃহস্পতিবার গভীর রতে প্রবাসী স্বামীর সাথে মুঠোফোনে কথোপকথনের একপর্যায়ে অভিমানে শারমীন আক্তার(২২) নামে এক গৃহবধু গলায় ফাঁস দেয়।
এর আগে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ফেস বুকে স্টেটাস দিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারী বুধবার রাতে ফরিদগঞ্জ পৌরসভাধীন পশ্চিম বড়ালি গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে শামীম হোসেন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
একই দিন বিকালে চরদু:খিয়া পুর্ব ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামের রাঢ়ি বাড়ির রাকিব হোসেনের স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী সুইটি আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আহনন করে।
৩১ জানুয়ারী বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের সোসাইরচর গ্রামের বাইশ্যা বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান(১৯) গলায় ফাঁস দিয়ে এবং গত ২৮ জানুয়ারী গোবিন্দপুর গ্রামে হাসি আক্তার ঝর্না(১৬) নামে এক কিশোরী গৃহবধূ বিষপানে আত্মহনন করে।
এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনাচর্জ মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক মূল্যবোধের অভাব, পারিবারিক বন্ধন হ্রাস পাওয়া এবং সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের তদারকির অভাব এবং দাম্পত্য জীবনে স্বামী ও স্ত্রীর পরস্পরের প্রতি আস্থাহীনতাই দায়ী। আমি নিজে এসব বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।