করোনা ভাইরাসের উদ্ভুত পরিস্থিতির কারনে চাঁদপুর -৫ (হাজীগঞ্জ- শাহরাস্তি) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ মতিন স্যারের জানাজায় সর্বোচ্চ ৫০ জন অংশগ্রহণ করতে পারবে। দুই কাতারে ২০/২৫ জন করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে। আর জানাজার নামাজ হবে হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় গ্রামের মুন্সী বাড়ীতে। পরে সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
হাজীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন রনি পপুলার বিডিনিউজ ডটকমকে বলেন, করোনা পরিস্তিতি থেকে সংক্রামণ এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতি কাতারে ২০/২৫ জন দাঁড়াতে পারবে। সর্বোচ্চ ৫০ জন মুসল্লী অংশ নিতে পারবেন।
এদিকে মরহুম এমএ মতিন স্যারের নাতি ইয়াছির আরাফাত অনিক পপুলার বিডিনিউজ ডটকমকে বলেন, দাদাকে রাজধানীর ৭ নম্বর সেক্টরে জামে মসজিদে গোসল করানো হচ্ছে। সেখানে পারিবারিকভাবে একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিএনপির পার্টি অফিসের সম্মুখে ও শাহরাস্তি উপজেলায় জানাজা হওয়ার কথা ছিল। তা আর হচ্ছে না। প্রশাসনিকভাবে শুধু মাত্র বাড়ী সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে সর্বোচ্চ ৫০ জন জানাজায় অংশ নিতে বলা হয়েছে। তবে বাড়ীতে রাতে জানাজার নামাজ হবে কিন্তু সময় নির্ধারণ এখনো হয়নি।
অপরদিকে জনসমাগম ঠেকাতে হাজীগঞ্জ উপজেলার টোরাগড় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি ১৯৪৩ সালের ১৪ই মার্চ চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মরহুম আলহাজ্ব খান সাহেব জুনাব আলী মুন্সী তদানীন্তন পাকিস্তান আইন পরিষদের সদস্য এম এল এ ছিলেন। তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা আনোয়ার হোসেন মিয়া কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন।