যেকোনো মূল্যে যেন ঘর সামলানোর পণ করেছিল ওয়েস্কা। প্রতিপক্ষের পুরোপুরি রক্ষণাত্মক কৌশল, সঙ্গে নিজেদের সুযোগ নষ্টের মিশেলে ঘাম ছুটে গেল বার্সেলোনার। তারপরও স্বস্তি, কষ্টে হলেও বছরের শুরুটা তো জয় দিয়ে হলো!
চোট কাটিয়ে ফেরা লিওনেল মেসি সতীর্থের গোলে অবদান রাখলেন বটে, তবে অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করে হতাশও করলেন ঢের। হতাশা উপহার দেওয়া তালিকায় আছেন উসমান দেম্বেলে ও পেদ্রিরাও। প্রথমার্ধে বার্সেলোনার ১৩ শটের চারটি ছিল লক্ষ্যে।
বিরতির আগে গোলে কোনো শট না নেওয়া ওয়েস্কা দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা আক্রমণে ওঠে; এ পর্বে তাদের চারটি শটের সবকটিই ছিল লক্ষ্যে।
শুরু থেকে অনেকগুলো সুযোগ নষ্ট করা মেসির ৬৯তম মিনিটের জোরালো শটও ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। ৭৭তম মিনিটে দেম্বেলের আরেকটি প্রচেষ্টা রুখে ব্যবধান বাড়তে দেননি ফের্নান্দেস।
গত মঙ্গলবার এইবারের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ড্র করা বার্সেলোনা লিগে শেষ চার ম্যাচে এই নিয়ে দ্বিতীয় জয় পেল। আসরে তাদের জয় আটটি। সঙ্গে চার ড্রয়ে ১৬ ম্যাচে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে উঠেছে তারা।
দিনের অন্য ম্যাচে আলাভেসের মাঠে ২-১ গোলে জিতে শীর্ষে ফিরেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। ১৫ ম্যাচে ১২ জয় ও দুই ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৩৮।
দুইয়ে নেমে যাওয়া রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৩৬। দুটি ম্যাচ বেশি খেলেছে তারা।
১৮ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে রিয়াল সোসিয়েদাদ। ১৭ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে আছে ভিয়ারিয়াল।