আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে নিজ দলের একাধিক প্রার্থীদের কেউ কেউ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন হয়তো রাজধানীর বুকে।
বিগত শাষনামলের দলীয় কর্মকান্ডের সাথে নিজের সম্পৃক্ততার জানান ও দেওয়া হচ্ছে, হয়তো নথিপত্রে।।
সেক্ষেত্রে দলীয় নেতাকর্মিদের সাথে যার যতটা সুসম্পর্ক,, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ ঘোষিত দলীয় ভিবিন্ন কর্মকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততা বিশ্লেষণে যার আমলনামা যতটা ভারী,, জাতীর ভিবিন্ন সংকটময় সময়ে যে নেতা নিজের জীবনের মায়া উপেক্ষা করে মানুষের সেবায় দিনরাত নিজেকে নিবেদিত রেখেছে,,
হয়তো দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে কিংবা প্রত্যাশায়,, সেই জনই থাকবে এগিয়ে।
যাই হউক,, উল্লেখ্য সব প্রার্থীর ডাটাবেজই কিন্তুু দলীয় হেডকোয়াটারে।
আমরা মাঠ পর্যায়ের কর্মিরা হয়তো নানান সমীকরণে আগ্রহ উৎকণ্ঠার মাঝে,, আমাদের মাঝে একটা শংঙ্কা হয়তো কাজ করে, যেমন অযৌগ্য কেউ কি,,তদবীর লবিং কিংবা কালো টাকার গরমে,, নিজ দলের যৌগ্যতাসম্পন্ন ত্যাগিনেতাদের ফাইল প্রোফাইল চাপ দিয়ে,, দূরবিসন্ধি উপায়ে প্রতিক নিয়ে আসে নাকি??
না,,এখানে হতাশ হওয়া কিংবা এমনটি ভাবার কোন কারন নেই,, কারন গত ৫ বৎসর আগে ও কিন্তুু,, আমাদের সম্মানীয় বর্তমান মেয়র,, হাজিগঞ্জ শহর আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি জনাব,মাহবুবুল আলম লিপন ভাইকে হাজিগঞ্জের পক্ষে দলীয় প্রতীক দিয়ে,, জননেত্রী শেখ হাসিনা তৎকালীন হাজিগঞ্জের রাজপথের উত্যপ্ত গলিত লাভায় যেনো বরফ ছিটিয়ে দিয়েছেন।
খুব সাবলীল ভাবেই পৌরসভার দলীয় নেতৃবৃন্দ কেন্দ্র ঘোষিত উক্ত সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই দলের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। পরিশেষে জয়টা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি নৌকার ই হয়েছিলো।
ধৈর্য ধরুন,,অপেক্ষা করি,, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মাননীয় সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা,, যাকে যৌগ্য মনে করবে,,তার হাতেই নৌকা প্রতিক তুলে দিবে,,কোন vip- cip- টনে টনে কালো টাকার মালিক কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার কারীর হাতে যে নৌকা প্রতিক দিচ্ছে না,সে ব্যাপারে ১০০/১০০ শিউর।।
পরিশেষে আমরা মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মিরা, দলের আনুগত্য মেনে,, জনগনের দৌড়গড়ায় মানসম্মত সেবা পৌছে দিতে,, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে হাড়কাপুনি শীত উপেক্ষা করে নিরলশ ভাবে কাজ করে যাবো-এমনটাই প্রত্যাশা।। জয় বাংলা