জেলার চাঁদপুরের আটটিসহ ৯৮টি উপজেলায় হাত ধোয়ার স্টেশন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করোনা মহামারির সংক্রমণ রোধে স্কুল-কলেজসহ গণজমায়েত হয়—এমন স্থানের আশেপাশে হাত ধোয়ার এসব স্টেশন নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর এই স্টেশন নির্মাণ করবে।
এজন্য ‘মানবসম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
যেসব উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তাবিয়ত হচ্ছে, সেসব উপজেলাগুলো হলো চাঁদপুর জেলার চাঁদপুর সদর, হাইমচর, মতলব দক্ষিণ, মতলব উত্তর, ফরিদগঞ্জ, কচুয়া, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা।
জানা গেছে, ‘মানবসম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় হবে এক হাজার ৮৮২ কোটি ৫৯ লাখ ২৭ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেবে ৫০ কোটি ৮২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এছাড়া চীনের নেতৃত্বাধীন এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক বা এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) ও বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) নিজস্ব তহবিল থেকে ঋণ বাবদ পাওয়া যাবে এক হাজার ৮৩১ কোটি ৭৬ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ প্রকল্পটি সরকারের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে।
প্রকল্প প্রস্তাবনায় জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় লার্জ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম ৭৮টি, কমিউনিটি পর্যায়ে পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিম ৩ হাজার ৩৬৪টি, পাবলিক স্যানিটেশন ও হাইজিন সুবিধা ৩৫টি, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে স্যানিটেশন ও হাইজিন সুবিধা ৫০০টি, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর টয়লেটে রানিং ওয়াটার সুবিধাদি প্রদান ৭৮০টি, অতি দরিদ্রদের জন্য টয়লেট ৩ লাখ ৫১ হাজার ২৭০টি এবং কোভিড-১৯ রোধে পানির সুবিধাদিসহ ৮৮২টি হাত ধোয়া স্টেশন নির্মাণ করা হবে।