POPULAR BD NEWS
Popular BD News Logo

কচুয়ায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ মাংস ব্যবসায়ী

পপুলার বিডিনিউজ রিপোর্ট - চাঁদপুর | প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০২৬ | সময়: ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

চাঁদপুরের কচুয়ায় মাংস ব্যবসায়ীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, নগদ টাকা ছিনতাই ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগে বিজ্ঞ আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মাংস ব্যবসায়ী বাহাদুর (৩৯) বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন।

​মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে কসাইয়ের কাজ ও মাংস ব্যবসা করে আসছেন বাহাদুর। আসামিদের একজন তাঁর দোকান থেকে বিভিন্ন সময়ে ৩৬,০০০/৩৭,০০০ টাকার মাংস বাকিতে কেনেন। উক্ত পাওনা টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

​ঘটনার দিন ১১ অক্টোবর বিকেলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দা, ছেনি, রড, বাঁশের লাঠি নিয়ে তাঁর গতিরোধ করে এবং ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ছেনি দিয়ে তাঁর মাথায় কোপ দিলে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন এবং মাথায় কয়েকটি সেলাই লাগে। তাকে বাঁচাতে তাঁর ভাতিজা জাভেদ এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে ও পোহ মেরে মারাত্মক আহত করা হয়।

​অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা ভুক্তভোগীর কাছে থাকা মাংস বিক্রির নগদ ২,৬২,৮০০ টাকা এবং ৮ ভরি ওজনের একটি রুপার চেইন ছিনিয়ে নেয়। যাওয়ার সময় আসামিরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

​ভুক্তভোগী বাহাদুর বলেন, “পাওনা টাকা চাওয়ায় আসামিরা আমার ও আমার ভাতিজার ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে এবং ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ও মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তারা চাঁদাবাজি করে আসছে।”

​স্থানীয়ভাবে সালিশ-দরবারে ব্যর্থ হয়ে ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে জানান ভুক্তভোগী। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি আসামিদের ভয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে দ্রুত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির দাবি জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সুমন মিয়া বলেন, চাঁদা দাবীর কোন ঘটনা তার জানা নাই। তাদের লেনদেনের একটা শালিশ করেছেন। দুজনই ড্রাগ এডাক্টেট লোক। তাই আলাদা চলতে বলেছি। মহিবুল্লাহ ও বাহাদুর দুইজনই রিহ্যাব সেন্টারে ছিল। সেখান থেকে আসার পর পাওনা টাকা নিয়ে বাহাদুর তাকে জড়িয়ে দেয়। পরে এসব জামেলা থেকে সরিয়ে পড়েন তিনি। এরপর তাদের দুইজনের মধ্যে কি হয়েছে, তার আর জানেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।

পপুলার বিডিনিউজ | বস্তুনিষ্ঠতা প্রকাশে দুরন্ত
কার্যালয়: কেনাকাটা মার্কেট, ৪র্থ তলা, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
নিউজ ও বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৬-৪৬৯৫০৫ | ইমেইল: newspopular2020@gmail.com

© 2026 পপুলার বিডিনিউজ — অনুমতি ছাড়া লেখা/ছবি/ভিডিও ব্যবহার বেআইনি
প্রিন্ট করুন