চাঁদপুরের কচুয়ায় আকানিয়া থেকে নিশ্চিন্তপুর গ্রামীণ রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম জনদুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। রাস্তা ঘেঁষে খনন করা পুকুরের কারণেই এমন ঘটনা ঘটছে বললেন সংশ্লিষ্টরা। পুকুর সংলগ্ন রাস্তার পাশে প্রতিরক্ষা মূলক দেওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে ভাঙ্গা স্থানগুলো সংস্কারের দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার আকানিয়া বিশ^রোর্ড মোড় থেকে নিশ্চিন্তপুর ইসলামিয়া এতিমখানা ও নিশ্চিন্তপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার হয়ে মনপুরা এবং এনায়েতপুর পর্যান্ত গ্রামীন ওই রাস্তা দিয়ে ছোট বড় যান বাহন,শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষ আসা-যাওয়া করে। রাস্তাটির দুই পাশে কয়েকটি পুকুর রয়েছে। পুকুর থাকা স্থানগুলোতে রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরে চলে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের দাবি পুকুরগুলো খননের সময় বিধি অনুযায়ী যতটুকু পাড় রাখার কথা, ততটুকু না রাখাতেই রাস্তা ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয়’রা বলেন, পুকুর খননের সময় কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে যাচাই বাছাই না করে অনুমতি দেয়াতেই এমন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। যার মাসুল গুনতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।
নিশ্চিন্তপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএসএম মাও.ফখরুউদ্দি বলেন, দিনের বেলায় এই রাস্তা দিয়ে কলেজ,মাদ্রাসা, স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ ছোট-বড় যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। রাতের বেলায় এই দুর্ঘটনার হার আরো অনেক বেশি। রাস্তাটি সংস্কার করা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে।
এছাড়াও নিশ্চিন্তপুর ইসলামিয়া এতিমখানা ও নিশ্চিন্তপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার পশ্চিম পাশে চলাচলের একটি ব্রিজ, ব্রিজটির বিভিন্ন স্থানের ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে যে কোনো সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার হতে পারে বলে আশস্কা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহ আলমের বলেন, আমি নিশ্চিন্তপুর ইসলামিয়া এতিমখানা ও নিশ্চিন্তপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসার পশ্চিম পাশে পুকুরের পূর্বপাশে পালাসাইড নির্মাণ করে মাটি দিয়ে ভরাট করছি। কিন্ত ঘনবৃষ্টি হওয়ার কারনে রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়া পুকুরের মাঝে রাস্তাটির সিংহ ভাগ অংশই বিলীন হয়ে গেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, আমি পূর্বেও রাস্তাটি দেখেছি। আবারো সরেজমিনে দেখে রাস্তাটি সংস্কার এবং পুকুর সংলগ্ন স্থানগুলোতে স্থায়ীভাবে সমাধানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে যে কারণেই রাস্তার ক্ষতি হোক কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।