আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁদপুরে চাহিদার তুলনায় কিছুটা ঘাটতি রয়েছে কোরবানি পশুর। বছরজুড়ে জেলার বিভিন্ন খামারে লালন-পালন করা পশু হাটে তুলছেন খামারীরা। তবে হাটে ভারতীয় পশুর শঙ্কায় দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা।
খামারিদের দাবী, পশুর হাটে খামারীরা নিরাপত্তার পাশাপাশি চান ভারতীয় গরু যেন না উঠে।
জেলায় দুই শতাধিক গরুর হাটে ক্রমেই শুরু হচ্ছে বেচা-কেনা। গবাদী পশুর খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে এবার গরুর নায্য দাম না পেলে পশু লালন-পালনে আগ্রহ হারাবেন অনেকেই বলছেন খামারী আব্দুল মমিন।
চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জ্যোতিময় ভৌমিক বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় খামারীদের এবারও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। জেলায় এ বছর চাহিদার তুলনায় মাত্র ৯ হাজার ১’শ ৪৮টি পশুর ঘাটতি রয়েছে। যা মৌসুমী ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব।
চাঁদপুরে এবছর ৭৫ হাজার ২’শ ৪৮টি পশুর চাহিদা থাকলেও বিপরীতে রয়েছে ৬৪ হাজার ৯৮ টি পশু। জেলায় কোরবানি পশুর ঘাটতি রয়েছে ৯ হাজার ১’শ ৪৮ টি পশু। জেলায় এবার বেশিরভাগ গরু হাটে ২০ মে থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানান পুলিশ প্রশাসন।